আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে ২৫ নভেম্বর ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি গঠন হলেও দেড় সপ্তাহে কোনো অভিযোগের তদন্ত না হওয়ায় অসন্তোষ জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। পূর্ণ শক্তি নিয়ে দৃশ্যমান তৎপরতা চালাতে সংশ্লিষ্টদের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। কমিটির উদ্দেশে সকালে এক ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান সিইসি।

নির্বাচনের আগ পর্যন্ত আচরণবিধি পর্যবেক্ষণ, অনিয়মের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ ও কমিশনে প্রতিবেদন দিতে তিনশো আসনের বিপরীতে ২৪৪জন বিচারিক হাকিমকে নিয়ে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি করেছে নির্বাচন কমিশন। ২৫ ডিসেম্বর ১২২টি কমিটি করা হলেও এখন পর্যন্ত একটি অভিযোগেরও তদন্ত হয়নি। এ বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়ে সিইসি বলেন, কমিশনে প্রতিদিন শত শত অভিযোগ আসছে, যা প্রত্যাশিত নয়। মাঠ পর্যায়েই এসব অভিযোগের সমাধান হবার কথা। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব থাকা বিচারকদের তৎপরতা বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

সিইসি বলেন, আইনে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে যথেষ্ট ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। সর্বোচ্চ সাত বছরের দণ্ড এমনকি প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারবে এই কমিটি। রাগ-অনুরাগের ঊর্ধ্বে থেকে বিচারকদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান সিইসি। তাদের ভূমিকা নিয়ে যাতে কোনো প্রশ্ন তৈরি না হয় সতর্ক করা হয় সে ব্যাপারেও।

 

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে