আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ লাখ সদস্য। পুলিশ-র‌্যাব-আনসার বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তারা ভোটের দিন এবং আগে ও পরের দায়িত্ব পালনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরইমধ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে মাঠপর্যায়ে অস্ত্র, গোলাবারুদসহ আনুষঙ্গিক নিরাপত্তাসামগ্রীর মজুত। নির্বাচন কমিশন যেসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করবে সেসব এলাকায় থাকবে বাড়তি ব্যবস্থা। দশ বছর পর দেশে সব দলের অংশগ্রহণে ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয় সেজন্য সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটের আশায় ভোটারদের মাঝেও সৃষ্টি হয়েছে উৎসাহ উদ্দীপনা। ২০১৪ সালের মতো সহিংসতার আশঙ্কা তাদের মধ্যে নেই। শাক্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দেওয়ার প্রত্যাশা ভোটারদের।

তফসিল ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচালিত হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে। ইতিমধ্যে কিছু কিছু নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের আশঙ্কা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া) মো. সোহেল রানা। তিনি জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হবে। যার মধ্যে থাকবে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ দায়িত্ব পালন করবেন। বিজিবি, র‌্যাবের টহল থাকবে সেসব কেন্দ্রে। নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধেও সতর্ক পুলিশ।

ইতিমধ্যে রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও প্রধান প্রধান সড়কে দিনের মত রাতেও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে