সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন। হয়রানিমূলক কিছু না করতেও পুলিশের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। সিইসি জানান, ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট ছোট দল তাদের কর্মকাণ্ড বুঝে নিতে নির্ধারিত এলাকায় পর্যবেক্ষণে যাবে।

একাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে পুলিশের সঙ্গে বিশেষ সভা করে নির্বাচন কমিশন। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ পুরো কমিশন আর পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ইসির ১২টি পরিকল্পনা তুলে ধরেন সিইসি। বলেন, তফসিলের দেড় মাস প্রশাসনের ওপর খবরদারি করা ইসির উদ্দেশ্য নয়। অতি উৎসাহে বিনা অপরাধে কাউকে যাতে হয়রানি করা না হয় সে নির্দেশ দেন সিইসি। সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে বিশেষভাবে সজাগ থাকতেও বলেন তিনি। সিইসি বলেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তথ্য সংগ্রহের খবরে ইসি বিব্রত। তিনি জানান, ১৫ ডিসেম্বরের পর জেলা পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর ছোট ছোট দল পর্যবেক্ষণে যাবে।

নির্বাচনে পুলিশের দায়িত্ব পালনের ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ভোটে পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে এই বাহিনী কাজ করবে। তবে কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে