কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ালো বিএনপি নেতাকর্মীরা। কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে আগুন দেয়া হয় পুলিশের দুটি গাড়িতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছররা গুলি ও টিয়ার শেল ছুড়েছে পুলিশ। এতে আহত হয়েছে দুপক্ষের বেশ কজন। কোনো উসকানি ছাড়াই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ বিএনপির, তবে তা নাকচ করেছে পুলিশ।
ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিএনপি অফিসের সামনে রাখা পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন দেয় হেলমেট আর মুখোশধারী কজন ব্যক্তি। একটি গাড়ি থেকে কিছু কাগজপত্রও সরিয়ে নিতে দেখা যায় একজনকে। এর আগে পুলিশের টিয়ারসেল, ছররা গুলি ও লাঠিচার্জে রণক্ষত্রে পরিণত হয় নয়াপল্টন এলাকা। জবাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন বিএনপি নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে পুলিশ সরে গেলে বেশকিছু ব্যক্তিগত গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।
প্রায় আধাঘন্টা ধরে চলা কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায়, আহত হন দু-পক্ষের বেশ কয়েকজন। বিএনপির মনোনয়নপত্র তৃতীয় দিনে মিছিল নিয়ে পল্টনে কার্যালয়ে আসতে থাকেন প্রত্যাশীরা। তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ফরম জমা দিতে এলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এসময় পুলিশ সড়ক স্বাভাবিক করতে গেলে এক কর্মীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির সূত্র ধরেই শুরু হয় দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া।
বিএনপি নেতাদের দাবি, নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে পুলিশ।
তবে কোনো উসকানি ছাড়াই আইনশৃংখলা বাহিনীর ওপর বিএনপিকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। সংর্ঘষের পর কার্যালয়ের সামনের সড়কে অবস্থান নেন বিএনপি কর্মী-সমর্থকেরা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























