বাংলাদেশে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় নাশকতায় উসকানি ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আইসিটি আইনে দায়ের করা মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক প্রশান্ত কুমার বণিক জানান, উচ্চ আদালত থেকে গতকাল রোববার জামিননামা আসে কারাগারে। এটি যাচাই–বাছাই করে আজ আমীর খসরুকে মুক্তি দেয়া হয়।

কারাগার থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের আমীর খসরু বলেন, “মানুষের অংশগ্রহণের কথাকে চিন্তা করে আমরা নির্বাচনে যাচ্ছি। দেশের মানুষ কীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে, সেটা দেখার বিষয়। দেশের মানুষ কি আদৌ এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে, নাকি তাদের বাইরে রেখে ক্ষমতা দখলে প্রক্রিয়া চলবে? সেদিকে তো দেশ চলছে এখন। তো দেখা যাক।”

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সময় নওমী নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে ‘ফোনালাপ’-এর ঘটনায় করা মামলায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গত ২১ অক্টোবর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত। গত ৪ আগস্ট চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর কোতোয়ালি থানায় আইসিটি আইনে মামলাটি করেন। মামলার বাদী জানান- “আমির খসরুর কথার জেরেই ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি মামলা দায়ের করেছি।”

ফোনালাপের অডিও ক্লিপে শোনা যায়, কুমিল্লায় অবস্থানরত নওমী নামে এক কর্মীর সঙ্গে কথা বলছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি ওই কর্মীকে বলছেন ঢাকায় এসে লোকজন নিয়ে নেমে পড়তে। তবে, আমির খসরু দাবি করেন ‘এটি বানোয়াট’। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও অডিও রেকর্ডটিকে ‘সম্পূর্ণ বানোয়াট, কারসাজি ও অন্যের তৈরি’ বলে মন্তব্য করেন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে