বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিবেশ দুষণ ঠেকাতে গ্রিন ইকোনমিক জোন নীতিমালা তৈরি করছে বেজা। এর মাধ্যমে পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নিশ্চিত করা হবে এলাকার সবুজায়নের বিষয়টি। বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান নীতিমালা অমান্য করলে লাইসেন্স বাতিল হবে বলেও সতর্ক করেছেন বেজা চেয়ারম্যান।

২০৩০ সালের মধ্যে একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে কাজ করছে বেজা। সরকারি ও বেসরকারি মালিকানা, অংশীদারত্ব ও জিটুজি ভিত্তিতে হচ্ছে এসব অঞ্চল। লক্ষ্য এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ।

অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে এরই মধ্যে ইস্পাত, জ্বালানি, তৈরি পোশাকসহ নানা শিল্পে বিনিয়োগ করেছে দেশি বিদেশি প্রতিষ্ঠান। দেরিতে হলেও পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে আইনি কাঠামোয় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বেজা। প্রণয়ন হচ্ছে গ্রিন ইকোনমিক জোন নীতিমালা। সংস্থার চেয়ারম্যান জানান, শুরু থেকেই পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, নীতিমালার মাধ্যমে এখন তা আইনি ভিত্তি পাচ্ছে।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে নীতিমালা প্রণয়ন কমিটি প্রতিবেদন দেবে জানিয়ে বেজা চেয়ারম্যান বলছেন, এতে গুরুত্ব পাচ্ছে পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সবুজায়নের বিষয় ৩টি। আর এই নীতিমালা চুড়ান্ত হচ্ছে ছয় মাসের মধ্যে। অর্থনৈতিক অঞ্চলের মোট জমির ৫০ শতাংশে কারখানা, আর বাকি অংশ ব্যবহার হবে সবুজায়ন, সড়ক ও অন্যান্য কাজে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে