প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বুধবার সংলাপের ফলাফল দেখে তারপর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জবাবে পরিষ্কার প্রতিশ্রুতি না দিলেও নির্বাচন কমিশন বলেছে, সংলাপ পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতিবার সকালে তফসিল নিয়ে আবারও আলোচনা করবেন তারা। তফসিল ঘোষণার সব প্রস্তুতিও থাকবে কমিশনের। নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সোমবার বিকেল পৌনে চারটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত চলে এই বৈঠক।
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল পেছানোর দাবিতে শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর চিঠি দিয়েছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন। একদিন পরই আবারও সেই দাবিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে নির্বাচন কমিশনে যান ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।
সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দুই ঘণ্টার বেশি এই বৈঠকে ইভিএম ব্যবহার বন্ধ ও সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার দাবি জানান ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। তবে তফসিল পেছানোর দাবিই ছিল প্রধান আলোচ্যসূচি।

কমিশনের কাছে ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছভাবে ভোট গণনার নিশ্চিয়তা চান নেতারা। সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তারা।
পরে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি থাকবে কমিশনের। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতিও পর্যবেক্ষণ করবেন তারা। ইসি সচিব জানান, তফসিল ঘোষণার পর সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























