একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিন গণনা শুরু হচ্ছে ৩১শে অক্টোবর থেকে। তবে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভার আকার পরির্বতনের দিন ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫৪ জনের মন্ত্রিপরিষদকে অর্ধেকে নামিয়ে আনার পক্ষে তিনি। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরও জানাচ্ছেন, এবার নির্বাচনকালীন সরকারে জায়গা পাচ্ছেন শুধু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।

বর্তমান মন্ত্রিপরিষদে বিশেষ দূত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদসহ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাত জন। মন্ত্রী ৩৩, প্রতিমন্ত্রী ১৭ এবং উপমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন দুজন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা না থাকলেও একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এর আকার ছোট করে নির্বাচনকালীন সরকারে রূপ নেবে বর্তমান সরকার। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের পর প্রথম নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হয় দশম সংসদ নির্বাচনের আগে। সে-বার, তফসিল ঘোষণা ১৪ দিন আগে ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকেই একযোগে পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।

চলতি সংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২৮ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ বহাল রেখে এর আগের ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে নির্বাচন। সেই হিসাবে অক্টোবরের শেষ দিন থেকে আগামী বছরের ২৮ জানুয়ারির মধ্যে হতে হবে ভোট। ১৮ নভেম্বর নতুন মন্ত্রি-প্রতিমন্ত্রীর শপথের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার ছোট করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার একদিন পর টানা হয় সংসদ বহাল রেখে নবম সংসদের শেষ অধিবেশনের সমাপনী। ২৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও ১১ উপদেষ্টা জায়গা পান নির্বাচনি মন্ত্রিসভায়। বাদ পরেন ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। ২৫ নভেম্বর দশম জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণা দেয় ইসি।

সরকারের বেশ কজন নীতি নির্ধারক জানাচ্ছেন, এবার ২৫ ডিসেম্বরের পর যেকোনও দিন হতে পারে ভোট। এর দিনক্ষণ হিসাব করে তফসিল ঘোষণা ও ভোট নেয়ার মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ দিনের ব্যবধান রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে হিসাবে নভেম্বরের মাঝামাঝি আসতে পারে এবারের ভোটের তফসিল। আর ওই মাসের প্রথম দিকেই দায়িত্ব নিতে পারে নির্বাচনকালীন সরকার।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে