সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে এখন থেকে নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। এক্ষেত্রে কোটা বাতিলের সুপারিশ অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তবে প্রার্থী পাওয়া সাপেক্ষে এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা বহাল থাকবে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন দু-তিন দিনের মধ্যে জারি করবে সরকার।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গত এপ্রিলে আন্দোলনে নামেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এরপর ১১ এপ্রিল সংসদে কোটা পুরোপুরি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চাকরিতে কোটা বাতিল বা সংস্কারের বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি করে সরকার। এই কমিটি ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা পুরোপুরি বাতিলের সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার নবম থেকে ১৩তম গ্রেডের চাকরিতে কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা।

তবে দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতির ভিত্তিতে প্রয়োজন মনে করলে সরকার কোটা ফের চালু করতে পারবে। আইন থাকার কারণে প্রতিবন্ধীদের জন্য থাকবে ১ শতাংশ কোটা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিতে মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপরই জারি হবে কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে