ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের স্থান করে নিয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শিক্ষা, গবেষণা, খেলাধূলা ও সংস্কৃতিচর্চার পাশাপাশি বিনোদনের দিকটিকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এ লক্ষেই লেক নির্মাণ কাজ হাতে নেয়া হয়েেেছ। নতুন নির্মিতব্য এই লেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিনোদনের জন্য একটি শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র হবে। এটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় লেক নামেই থাকবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ভিন্ন নাম হতে পারে। এই পরিত্যক্ত লেকটির আধুনিক রূপ দিতে গেলে বহু অর্থের দরকার যা আমাদের সাধ্যে ছিল না। আকিজ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি এই লেক নির্মাণে তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে আমাদের কৃতজ্ঞ করেছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর দেয়া প্রায় ৫শত কোটি টাকার কথা স্মরণ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই লেকটির নির্মাণ সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বুহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বিনোদনের পরিবেশ লাভ করবে। আজ (১৭/০৭/২০১৮) বেলা ১১টায় ইসলমী বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে নব নির্মিত লেকের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুর রহমান বলেন, একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আমরা যাত্রা শুরু করেছি। আমাদেরকে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হচ্ছে। আমরা স্বচ্ছতা ও সততার সাথে প্রতিটি কাজ করছি। তিনি ব্যয়বহুল এ লেক নির্মাণে সহযোগিতা করায় আকিজ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অপর বিশেষ অতিথি প্রফেসর ড. মো. সেলিম তোহা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে বলেন, শিক্ষা, অবকাঠামো ও ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নে আমরা ক্রমাগত কাজ করছি। তিনি বলেন, এই লেক নির্মাণ তারই ধারাবাহিক অংশ। এটি নির্মাণে আকিজ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতা করায় তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় সৌন্দর্য বর্ধন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. জাকারিয়া রহমান, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র লীগ ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা হালিম ও আকিজ গ্রুপের প্রতিনিধি নাসিম হাসান পিকুল লেক নির্মাণের উদ্যোগের প্রশংসা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সৌন্দর্যবর্ধন কমিটির সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আলীমুজ্জামান টুটুল। অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন হল মসজিদের ইমাম বেলায়েত আহমেদ।
নির্মাণ পরিকল্পনা অনুযায়ী লেকের উপর তিনটি ব্রিজ হবে। লেকে বোটে চড়ার ব্যবস্থা থাকবে। চরাপাশে বসার ব্যবস্থাও করা হবে। লেকটির পূর্ণাঙ্গ নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি দৃষ্টিনন্দন একটি লেকে পরিণত হবে। দুই বছর পর এটি খুলে দেয়া হবে। এটি নির্মাণে ৩ কোটিরও বেশি অর্থ ব্যয় হতে পারে বলে জানা গেছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























