আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে লন্ডনের বিক্ষোভে তিন লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন বলে জানিয়েছে লন্ডন পুলিশ। তবে আয়োজকদের দাবি, বিক্ষোভে ৮ লাখ মানুষ ছিল। গাজায় ইসরাইলের হামলার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, বার্লিন, বাগদাদ, করাচি এবং এডিনবার্গ সহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরেও বিক্ষোভ করেছে লাখো মানুষ। ব্রিটেনের লন্ডনে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে।

বিবিসি জানায়, লন্ডনে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয় প্রায় ৩লাখ মানুষ। এই বিক্ষোভ প্রতিহত করতে দেশটির কট্টর ডানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠীর সদস্যরা পাল্টা বিক্ষোভ করলে দেড়শো জনকে আটক করে লন্ডনের পুলিশ।ইসরাইলের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। তাদের হাতে ছিল ফিলিস্তিনের পতাকা। ইসরাইলের গণহত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভকারীরা। এই বিক্ষোভকালে সাময়িক বন্ধ হয়ে যায় ম্যানহাটন ও টাইমস স্কয়ারের রাস্তাঘাট। ন্যাশনাল মার্চ ফর প্যালেস্টাইন নামে এ বিক্ষোভ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় শুরু হয়। বিক্ষোভ শুরুর আগে থেকেই বিক্ষোভস্থল হাইড পার্কে জড়ো হতে শুরু করেন নানা বয়সী লোকজন। শনিবার ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণ দিবস বা আর্মিস্টিক ডে। একই দিনে বিক্ষোভ ও স্মরণ অনুষ্ঠান ঘিরে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই যুক্তরাজ্য পুলিশ সতর্ক অবস্থায় ছিল। গত ৭’অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকেই এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছেন যুক্তরাজ্যের মানুষ। সে ধারাবাহিকতায় আজকের বিক্ষোভে তিন লাখ মানুষ অংশ নেন। তবে আর্মিস্টিক ডের কারণে যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ বাতিল করতে বলা হয়। সেনোটাফ স্মৃতিসৌধে আয়োজিত সৈনিকদের স্মরণ দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে হাজারো পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়।

গতকাল এক বিবৃতিতে ঋষি সুনাক বলেন, আইন অনুযায়ী সব ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। গত বুধবার লন্ডন পুলিশ কমিশনারকে আমি এ কথাই বলেছি। এর জন্যই তাদের (পুলিশ বাহিনী) রাখা হয়েছে এবং (প্রধানমন্ত্রী হিসেবে) আমিও সেটাই তাদের কাছে চাই। পুলিশ বলছে, পাল্টা বিক্ষোভ করতে সেন্ট্রাল লন্ডনের বিভিন্ন সড়কে কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে দেখা গেছে। কয়েকটি স্থানে এসব বিক্ষোভকারীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে লন্ডনের বিক্ষোভে তিন লাখের বেশি মানুষ অংশ নেন বলে জানিয়েছে লন্ডন পুলিশ। তবে আয়োজকদের দাবি, বিক্ষোভে ৮ লাখ মানুষ ছিল। এছাড়াও, ফিলিস্তিনিদের পক্ষে মিছিল হয়েছে প্যারিস, বার্লিন, বাগদাদ, করাচি এবং এডিনবার্গ সহ বিশ্বের বিভিন্ন বড় শহরেও।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে