তৈরি পোশাক খাতে সর্বনিম্ন মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা আন্দোলনের নামে কারখানা ভাঙচুর ও বিক্ষোভ অব্যাহত রাখলে তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) উত্তরায় বিজিএমইএর নিজস্ব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।

ফারুক হাসান বলেন, তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মালিক শ্রমিক ও সরকারের অংশীজনেরা কাজ করে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় তৈরি পোশাক কারখানা ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের কোনো কারণ নাই। তারপরও যদি এই ঘটনাগুলো অব্যাহত থাকে, তাহলে মালিকপক্ষ জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে। তিনি বলেন, আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি যে বহিরাগতদের উসকানিতে গত এক সপ্তাহ ধরে শ্রমিক ভাই-বোনেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। শ্রমিকেরা কারখানা ভাঙচুর করছে। ফলে অনেকে বাধ্য হচ্ছে কারখানা বন্ধ করে দিতে।

বিজিএমইএর সভাপতি বলেন, আমি শ্রমিক ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই-আপনাদের অবদানের কারণে তৈরি পোশাকশিল্প এ পর্যায়ে আসতে পেরেছে। আপনারা এমন কিছু করবেন না, যাতে তৈরি পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং ক্রেতাদের আস্থা বিনষ্ট হয়। তারা তৈরি পোশাক শিল্প থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলে আমাদের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং আপনারা কর্মসংস্থান হারাবেন। বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, শ্রম আইনের ১৩/১ ব্যবহার করে মালিকপক্ষ পোশাক কারখানা বন্ধ করে দিতে পারে। শ্রম আইনের এই ধারায় কারখানা বন্ধ থাকলে শ্রমিকদের বেতন পাওয়ার বিধান নেই।

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী, বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি শহিদ উল্লাহ আজিম এবং এস এম মান্নান কচিসহ পোশাক খাতের মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে