
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন চালানো পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার(২৬’শে অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ নামক এলাকায় ওই সংঘর্ষ হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকদের লক্ষ্য করে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। শ্রমিকেরা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন। বিক্ষিপ্ত শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৫০-৬০টি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন। এছাড়া পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পাজেরো গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছেন। সড়ক অবরোধের ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। অনেক যাত্রীকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টার পর থেকেই কোনাবাড়ী, শফিপুর ও মৌচাক এলাকার আশপাশের শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ৪র্থ দিনের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
শ্রমিকদের দাবি, প্রায় এক যুগ আগে পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা দিয়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বাজারে চলে না। তাই বাধ্য হয়ে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন তারা। শিল্প পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে মৌচাক ও সফিপুর এলাকার কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে। পরে তাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আরও কয়েকটি শিল্প কারখানার শ্রমিকরা যোগ দেয়। এসময় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা।





























