
চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে গাজার হাসপাতালগুলো ‘কবরস্থানে’ পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রস। আজ বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় সংস্থাটি এমনটি জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে রেড ক্রসের কর্মী হিশাম এমহান্না বলেন, ‘আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের বিদ্যুৎ কোম্পানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। গাজার সবগুলো হাসপাতালে এখন হতাহত লোকজন দিয়ে ভরা। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালগুলো চিকিৎসা সরঞ্জামের সংকট দেখা দিয়েছে।
ফিলিস্তিনের ইসলামপন্থী দল হামাস-ইসরায়েল সংঘাতে এ পর্যন্ত ইসরায়েলে ১২শ এবং গাজায় ২৬০ শিশুসহ ১১শর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত ছাড়িয়েছে ৯ হাজার। আকস্মিক এ হামলায় ফ্রান্সের ১১ জন নিহত হয়েছে। নিখোঁজ আছে ১৮ জন। বুধবার নিজেদের ১১ নাগরিকের এমন মৃত্যুর জন্য শোক প্রকাশ করে ফ্রান্স।
নেপালের দূতাবাস জানিয়েছে, হামাসের হামলার অন্যতম ফ্ল্যাশপয়েন্ট কিবুতজ আলুমিমে তাদের ১০ জন নাগরিক নিহত হয়েছে। চার নেপালিকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আর্জেন্টিনার ৭ নাগরিক, রাশিয়ার ৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৪ জন, কানাডার ৩ জন, চিলির একজন, ইউক্রেনের ৩ জন, ব্রাজিলের ২ জন, পেরুর ২ জন, ফিলিপাইনের ২ জন, আজারবাইজানের একজন, কম্বোডিয়ার একজন, অস্ট্রিয়ার একজন ও স্পেনের একজন নিহত হয়েছেন। এসব দেশের বেশ কয়েজন নিখোঁজ এবং জিম্মি রয়েছেন।




























