সরকার কঠোর মনোভাব দেখালেও জামায়াতে ইসলামীর বিচারে রয়েছে আইনগত ধীরগতি। আদালতে দলটিকে নিষিদ্ধের বিষয়ে একটি রিট আবেদন দীর্ঘদিন পড়ে থাকলেও হচ্ছে না নিষ্পত্তি। উল্টো এদের রাজনীতি নিষিদ্ধ নিয়েই চলছে রাজনীতি। এতে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের বিচারে সদিচ্ছার অভাব দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়ে চালিয়েছে হত্যা, ধর্ষণ, সংখ্যালঘুদের নির্যাতন থেকে শুরু করে নানা মানবতাবিরোধী অপরাধ। ২০১৪ সালে তাদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একাত্তরে জামায়াতের সঙ্গে তাণ্ডব চালিয়েছে তাদের সহযোগী সংগঠন ছাত্রসংঘও। পরে তারা নাম বদলে হাজির হয় ইসলামী ছাত্র শিবির নামে। ২০১৩-এর গোড়ার দিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায় ঘোষণা ও রাজাকার কাদের মোল্লার ফাঁসিকে কেন্দ্র করে এদের হামলার মুখে পড়ে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএইচএস জেনস গ্লোবাল টেরোরিজম অ্যান্ড ইনসারজেন্সি অ্যাটাক ইনডেক্সে বিশ্বের ১০টি সক্রিয় সশস্ত্র গ্রুপের তালিকায় ছাত্র শিবিরের নাম। সেখানে আল কায়দা ও তালেবানের পরই ছিল এরা। এরপর জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল হলে ১০ বছর প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাদের দেখা যায়নি। সম্প্রতি আবারও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে দলটি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে