আসন্ন ঈদুল আজহায় ট্যানারি ব্যবসায়ীরা চামড়ার দাম নিয়ে কারসাজি করলে বিদেশে ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আজ রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণের বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। মন্ত্রণালয় প্রতিবছর দাম বেঁধে দিলেও বাজারে এর প্রতিফলন দেখা যায় না। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কী করবে- এমন প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এবারও চামড়া মনিটরিং হবে। তারপরও ট্যানারি মালিকরা যদি কোনো কারসাজি করে, তবে ওয়েট ব্লূ বা কাঁচা চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগেও এটি হয়েছে। ওয়েট ব্লু চামড়া আমরা রপ্তানি করেছি। যখনই আমরা রপ্তানির অনুমতি দিই তখনই দেখা যায় দামের কিছুটা উন্নতি হয়। খাসির চামড়ার দাম না বাড়ানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি ফিক্সড রাখার বিষয়ে আমাদের যে অভিজ্ঞতা, আমরা গত বছর এবং তার আগের বছর দেখেছি, দাম একই রাখার পরও সমস্যা। সেজন্য আমরা দামটা বাড়াতে চাইনি। আর সত্যিকার অর্থে যদি চাহিদা থাকে, আমরা যখন নির্ধারণ করে দি সেটির যদি ডিমান্ড থাকে, তাহলে তো তার চেয়ে বেশিতে কিনতে কোনো বাধা নেই। এটি নির্ভর করে চাহিদা ও সরবরাহের ওপর। আমরা মিনিমাম দামটা ঠিক করে দিচ্ছি, তারচেয়ে বেশি দাম দিতে বাধা নেই।

চামড়ার দাম মনিটরিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দামটা আসলেই মনিটরিং করা দরকার। একটা মনিটরিং কমিটি আছে জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে। সেই মনিটরিং টিম এটি দেখভাল করবে যাতে করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চামড়া নিয়ে রাখলে ১০ শতাংশ চামড়াও রক্ষা করা যাবে না। কারণ আমাদের তেমন কোন সিস্টেম ডেভলপ করেনি।

লবণের দাম প্রসঙ্গে টিপু মুনশী বলেন, এর দাম যেভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে তা যৌক্তিক নয়। তবে আমাদের শিল্প মন্ত্রণালয় যেহেতু এটি নিয়ন্ত্রণ করে উৎপাদন কতটুকু, এবং দাম কত হওয়া উচিত সেগুলো তারা ভালো বলতে পারবে। সঠিক দামটা আজ বা কালকের মধ্যে জানতে পারলে আমাদের তরফ থেকে চেষ্টা করতাম সেই দামের মধ্যে রাখার। আমরা চেষ্টা করব দাম যা আছে কোরবানির সময় যেন তার চেয়ে বৃদ্ধি না করা হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে