রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পাল্টাপাল্টি বিবৃত ও টুইটে বিরক্ত বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, এটি দূতাবাসগুলোর নিজস্ব ব্যাপার, তবে বাংলাদেশের বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপ চায় না ঢাকা।
ইউক্রেনে হামলার জেরে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি হয়। সেই উত্তাপ ছড়িয়েছে বাংলাদেশ ইস্যুতেও। দুই দেশের বাকবিতণ্ডায় জড়াতে চায় না বাংলাদেশ। সোমবার এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, আমরা চাই না রাশিয়া, আমেরিকা কেউ আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাক, এটা তাদের বিষয় নয়। তিনি আরও বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। এ বিষয়ে বিদেশিদের পরামর্শের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ। তাই এদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিয়ে অন্যদের পরামর্শ অনাকাঙ্ক্ষিত। এ’সময় বিদেশি কূটনীতিকদের আন্তজার্তিক আইন মেনে চলার তাগিদ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সম্প্রতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতের শাহীনবাগের এক বাসায় যাওয়া নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে দুই দেশ। যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় জানালেও রাশিয়ার দাবি কূটনীতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলানোর অভিযোগ করেছে রাশিয়া।





























