তালাত মাহমুদ, বিশেষ প্রতিনিধি।। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আমেরিকা-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০’তম বার্ষিকীর মাইলফলক উদযাপন উপলক্ষ্যে চলমান বছরব্যাপী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এডওয়ার্ড এম. কেনেডি, জুনিয়র এর ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফরের ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড এম. কেনেডির পুত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির ভাতিজা। এডওয়ার্ড এম. কেনেডি, জুনিয়র পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সম্প্রতি ঢাকায় আসেন।

ভু-রাজনৈতিক বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি, রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ, বৈশ্বিক মন্দা এবং আমেরিকা-বাংলাদেশ সম্পর্কের নানান টানাপোড়নের ক্ষেত্রে এডওয়ার্ড এম. কেনেডি, জুনিয়র এর ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভুমিকা পালন করবে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে বটগাছের চারা রোপণ করেছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন বন্ধু যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সিনেটর প্রয়াত এডওয়ার্ড টেড কেনেডি। তাঁর ছেলে এডওয়ার্ড টেড কেনেডি জুনিয়র গত সোমবার সকালে ওই বটগাছ পরিদর্শন করেন। দখলদার পাকিস্তানি সরকারের বিরুদ্ধে বাঙালির মুক্তি আন্দোলনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের বটতলা। এ কারণে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেই বটগাছ উপড়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

স্বাধীনতার পর (১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে এসে একই জায়গায় আরেকটি বটগাছের চারা রোপণ করেছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন বন্ধু যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সিনেটর এডওয়ার্ড টেড কেনেডি নামে পরিচিত এডওয়ার্ড এম কেনেডি। সেই গাছই এখন প্রশস্ত শাখা-প্রশাখায় ক্যাম্পাসে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। গাছটি দেখে এডওয়ার্ড টেড কেনেডির ছেলে এডওয়ার্ড টেড কেনেডি জুনিয়র বলেছেন, গাছটির সামনে গিয়ে তিনি বাবার উপস্থিতি অনুভব করেছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি নিজের অনুভূতির কথা জানান।

টেড কেনেডি জুনিয়র বলেন, ‘আমার বাবা যে বটগাছটি রোপণ করেছিলেন, সেটি পরিদর্শন করেছি। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর উপড়ে ফেলা বটগাছের স্থলে তিনি ওই গাছ রোপণ করেছিলেন। কারণ, এটি ছিল ছাত্রসমাবেশের একটি জনপ্রিয় জায়গা। এ গাছের নিচে (বাংলাদেশের) স্বাধীনতা আন্দোলনের নানা আলাপ-আলোচনা হয়েছে৷ তাই আমার বাবা ভেবেছিলেন, ওই রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই তিনি নতুন গাছটি রোপণ করেছিলেন। এ গাছ পরিদর্শন আমার জন্য একটি আবেগের বিষয়। ওই গাছের সামনে গিয়ে আমি আমার বাবার উপস্থিতি অনুভব করেছি। এই বটগাছ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন টেড কেনেডি জুনিয়র। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তির আন্দোলনের প্রতি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে এটি থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী স্মরণ’ শীর্ষক এই বিশেষ বক্তৃতায় টেড কেনেডি জুনিয়র বলেন, স্বাধীনতাসংগ্রামে বাংলাদেশের জনগণ চরম অন্যায় ও বর্বরতা মোকাবিলা করেছে। তাঁর বাবা ছিলেন সেই অল্প কয়েকজন রাজনীতিবিদের একজন, যাঁরা শরণার্থী সংকটসহ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সংঘটিত বর্বর গণহত্যার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরেছিলেন এবং ব্যাখ্যা করেছিলেন কেন এই স্বাধীনতাসংগ্রামকে সবার সমর্থন করা উচিত। তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী (প্রায় ৫০ বছর) সদস্যদের অন্যতম। তিনি সবার জন্য মানবিকতা ও ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করতেন। বাবা বিশ্বাস করতেন, টেকসই গণতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানো। মানবিকতার এ ধারণার ওপরই তাঁর পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাবনা তৈরি হয়েছিল, হেনরি কিসিঞ্জার (১৯৭১ সালে) যা বুঝতে পারেননি। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করা বাংলাদেশে কেনেডি পরিবার সব সময় গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করে বলে উল্লেখ করেন টেড কেনেডি জুনিয়র।

বক্তৃতার সময় তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য—স্ত্রী ক্যাথরিন কিকি কেনেডি, মেয়ে কেলি কেনেডি, ছেলে টেডি কেনেডি, ভাগনি গ্রেস কেনেডি অ্যালেন ও ভাগনে ম্যাক্স অ্যালেন উপস্থিত ছিলেন। কেনেডি পরিবারের এই সদস্যরা ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশে এসেছেন। ৫ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁরা বাংলাদেশ সফর করবেন।

টেড কেনেডি জুনিয়র বলেন, ‘আমার বাবা পিছিয়ে থাকা ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকারের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন প্রতিষ্ঠায় তিনি সংগ্রাম করেছেন৷ তিনি বিশ্বাস করতেন, মুক্ত গণমাধ্যম থাকলেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। নিজের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে অনেক অন্যায্য সমালোচনা হলেও তিনি বিশ্বাস করতেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায়। আমার বাবা ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এসেছিলেন। হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।’

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে টেড কেনেডি জুনিয়র বলেন, দুই দেশের ৫০ বছরের সম্পর্কে অনেক সাফল্য আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যনিরাপত্তা, বিশ্ব স্বাস্থ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ সেনা সরবরাহকারী দেশ হিসেবে বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের সংকল্পকে যুক্তরাষ্ট্র সাধুবাদ জানায়। বাংলাদেশ মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, জাতিগত নিধনের শিকার হয়ে যাঁরা পালিয়ে এসেছেন। এর জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫০ বছর উদ্‌যাপন করছে। আগামী ৫০ বছরে দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার (১৯৭১ সাল) শুরুতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেনি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বহু মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন করেছিলেন। বহু মার্কিন ব্যক্তি, সংবাদপত্র, প্রতিষ্ঠান সরকারের সেই নীতির বিরোধিতায় নেমেছিলেন। সিনেটর কেনেডি নিক্সন প্রশাসনের অধীন তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সেই নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। পিটার হাস আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ প্রয়াত সিনেটর কেনেডিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের সঙ্গে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করে থাকেন। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান (জাতির জনক বঙ্গবন্ধু) পাকিস্তানের জেলে থাকাকালে তাঁকে যথাযথ সম্মান দিতে দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া তখন ঢাকায় থাকা অধিকাংশ মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেল সরকারের সেই নীতির বিরোধিতা করেছিলেন। সে কারণে তাঁদের কেউ কেউ পেশাগতভাবে সমস্যায় পড়েছিলেন। একজন আইনজীবী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম অধিবক্তা বা এডভোকেট হিসেবে তিনি এডওয়ার্ড এম. কেনেডি সেন্টার ফর পাবলিক সার্ভিস অ্যান্ড দ্য আর্টস-এ প্রতিবন্ধীদের অধিকার বিষয়ের উপরও বক্তৃতা দেবেন। বাংলাদেশে সপ্তাহব্যাপী সফরের এই সময়ে কেনেডি পরিবার বাংলাদেশের সংস্কৃতির বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি এই দেশের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন-সহ বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে দেখা করবেন।

এডওয়ার্ড এম. কেনেডি, জুনিয়র
এডওয়ার্ড এম. কেনেডি, (টেড) জুনিয়র ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার একজন নেতৃস্থানীয় রেগুলেটরি অ্যাটর্নি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্বাস্থ্যসেবার ক্লায়েন্টদের ফেডারেল ও স্টেট আইন, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও ব্যয় করা অর্থ ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে মূল পরিবর্তনগুলোর কারণে সম্ভাব্য ব্যবসায়িক প্রভাবগুলো শনাক্ত করা, বুঝতে পারা ও পরিচালনা করতে সহায়তা করেন। এছাড়াও তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নিবেদিতভাবে কাজ করেন। টেড স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনেক শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিত্ব করেন যারা স্বাস্থ্যসেবাদান ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। তার ক্লায়েন্টদের মধ্যে এমন প্রতিষ্ঠানও রয়েছে যারা ‘আমেরিকানস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিস অ্যাক্ট (এডিএ)’ সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা এবং অনুশীলনগুলোকে আধুনিকীকরণের উপায় খুঁজছে যাতে করে তারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে আরো বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে পারে, প্রতিবন্ধীদের মার্কেটপ্লেসে যুক্ত হতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হয়। টেড একজন ক্যান্সার সারভাইভর এবং শৈশবে হাঁড়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় তার একটি পা কেঁটে ফেলতে হয়েছে। তিনি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুযোগ-সুবিধা প্রসারের আন্দোলনে একজন সদা সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ করছেন। টেড ২০১৭ সালের জুন মাস থেকে সামাজিক সংস্কার ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিবেদিত দেশের অন্যতম প্রধান নাগরিক অধিকার ও পাবলিক পলিসি সংগঠন আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ পিপল উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ (এএপিডি)-এর বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন দায়িত্বশীল উপদেষ্টা হিসেবে টেড নিয়োগকারীদের সেরা অনুশীলন ও এডিএ-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এএপিডি-র অন্যতম একটি কার্যক্রম হলো ডিজঅ্যাবিলিটি ইকুয়ালিটি ইনডেক্স (ডিইআই), যা এখন আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবন্ধী সমতা ও অন্তর্ভুক্তির অবস্থা পরিমাপের ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় বেঞ্চমার্কিং টুল হিসেবে গণ্য করা হয়। ডিইআই ব্যবহার করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিবন্ধীদের কর্মসংস্থান, বাসস্থান নীতি এবং সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল কর্পোরেট অনুশীলনের উপর স্কোর বা নাম্বার দেয়া হয় এবং অগ্রগতি দেখা হয়।

টেড ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কানেকটিকাট জেনারেল অ্যাসেম্বিলিতে স্টেট সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একজন আইন প্রণেতা হিসেবে তার চার বছরের মেয়াদে তিনি ৭০টিরও বেশি নতুন আইন প্রণয়ন করেছেন এবং সেগুলো সফলভাবে পাস করিয়েছেন। এই সময়ে তিনি সিনেটের পরিবেশ কমিটির চেয়ারম্যান, জনস্বাস্থ্য কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান এবং ডেমোক্রেটিক ককাসের ডেপুটি মেজরিটি লিডার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার প্রণীত ও তার নেতৃত্বে যে আইনগুলো পাস হয়েছে সেগুলো পরিবেশগত সুরক্ষা, প্রতিবন্ধীদের অধিকার, বাড়িতে ও এলাকা বা সম্প্রদায়ভিত্তিক সেবাযত্ন, স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু-বেইজড পারচেজিং’, স্বাস্থ্যসেবাদানকারীদের নেটওয়ার্ক সংস্কার ও সেবামূল্যের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, মানসিক স্বাস্থ্য সমতা বাস্তবায়ন ও মাদকাসক্ত ব্যক্তির চিকিত্‌সা লাভ সংক্রান্ত।

টেড বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা নীতি ও প্রতিবন্ধী আইন নিয়ে বক্তৃতা দেন এবং তিনি ফরেন রিলেশনস কাউন্সিলের একজন সদস্য। তার লেখা দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, ইউএসএ টুডে, নিউজউইক, দ্য বোস্টন গ্লোব, হার্টফোর্ড কোর‍ান্টসহ অন্যান্য অসংখ্য প্রকাশনায় প্রকাশিত হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে