
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী বছরই বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৫টি দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা। তাই অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পরামর্শ সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে খাদ্যপণ্যের দাম অনেক বেশি। সংস্থাটি বলছে, ডলার ঘাটতি, মূল্যস্ফীতিসহ বর্তমানে ৭টি সংকটে আছে বাংলাদেশ।
পাকিস্তানে আধা কেজি পাউরুটির দাম ৪৫ টাকা, ভারত ও নেপালে ৪৮ টাকা। এমনকি শ্রীলঙ্কাতেও একই পরিমাণ পাউরুটির দাম ৫০ টাকা। অথচ বাংলাদেশে এর জন্য খরচ করতে হচ্ছে ৬২ টাকা। ১ কেজি গরুর মাংস কিনতে দেশে গুণতে হয় ৬৮৪ টাকা, যা দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ। খাদ্যপণ্য ছাড়াও স্বাস্থ্য, জ্বালানি, ইন্টারনেট ব্যবস্থাসহ সব খাতেই দেখা দিয়েছে মুল্যস্ফীতির প্রভাব।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি বলছে, দেশে বর্তমানে চার জনের একটি পরিবারে মাসে ১৯টি খাদ্যপণ্যের জন্য ব্যয় হয় ২২ হাজার ৪২১ টাকা। এ অবস্থায় দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষদের নগদ অর্থসহায়তা দিতে হবে। পাশাপাশি আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক কমানোর পাশাপাশি বাজার মনিটরিং বাড়ানোর পরামর্শ সিপিডির।
বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৩ সালেই ৪৫টি দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশেও। তাই সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য সরকারকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নেয়ার দাবি তাদের।
সিপিডি বলছে, দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উত্তোলন ও অনুসন্ধান বাড়াতে হবে।





























