
বিশ্বের জনসংখ্যা চলতি বছরের ১৫’ই নভেম্বরের মধ্যে ৮শ’ কোটিতে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। আর ২০৩০ সালে বিশ্বে জনসংখ্যা ৮৫০’কোটিতে পৌঁছাবে। সোমবার(১১’ই জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিকবিষয়ক বিভাগের পূর্বাভাসে বলা হয়, ১৯৫০’সালের পর থেকে বিশ্বের জনসংখ্যা তার সবচেয়ে ধীরগতিতে বয়েছে। তবে অতীতের দ্রুত বৃদ্ধির প্রভাব আগামী বছরগুলোতে দেখা যাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০’সালে বিশ্ব জনসংখ্যা সাড়ে ৮০০’কোটিতে পৌঁছাবে ও ২০৫০’সালে জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৯৭০’কোটিতে। ২০৮০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় এক হাজার ৪০ কোটিতে। আগামী ২০২৩ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে ভারত। বর্তমানে এই দুই দেশে পৃথকভাবে ১৪০ কোটিরও বেশি করে জনসংখ্যা রয়েছে। এই সময়ে চীনের জনসংখ্যা কমলেও বৃদ্ধি পাবে ভারতে।
জাতিসংঘ বলছে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত অনুমেয় বৈশ্বিক জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি বৃদ্ধি পাবে মূলত আটটি দেশে- কঙ্গো, মিসর, ইথিওপিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন এবং তানজানিয়ায়। তবে ২০৫০ সালের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকার দেশগুলোতে জনসংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় অর্ধেকেরও বেশি বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২১’সালে বিশ্বে একজন নারীর সন্তান জন্মদানের গড় হার ২ দশমিক ৩ জনে দাঁড়িয়েছে; যা ১৯৫০ সালের প্রায় ৫ শতাংশের অর্ধেকেরও কম। বিশ্বজুড়ে প্রত্যেক নারীর সন্তান জন্মদানের এই হার আরও হ্রাস পেয়ে ২ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্তান জন্মদানের হার কমে যাওয়ায় ২০২২ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৬১টি দেশে জনসংখ্যা ১ শতাংশ বা তারও বেশি হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ।




























