দেশে প্রতিবছর বায়ূদুষণে মারা যাচ্ছে এক লাখের বেশি মানুষ। এর মধ্যে বড় অংশই প্রাণ হারাচ্ছে অভ্যন্তরীণ দূষণে। বাসা-বাড়িতে বাতাসে দূষণের মাত্রা বেড়েছে কয়েকগুন। ঘরোয়া দূষণ থেকে বাঁচতে ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। নিজের ঘরকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করা হলেও সেখানেও রয়েছে বিষাক্ত বাতাসের ঝুঁকি। লাকড়িতে রান্না, তামাক সেবক, গৃহস্থালি পরিষ্কার-রক্ষণাবেক্ষণ ও ঘর গরম বা ঠাণ্ডার যন্ত্র অভ্যন্তরীণ দূষণের অন্যতম কারণ। এর জন্য দায়ী করা হচ্ছে ছোট রান্নাঘর ও দীর্ঘ সময় ধরে রান্না।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় এসব তথ্য উঠে আসে। বিশ্বের ১২টি শহরে মধ্যে ঢাকার ঘরোয়া বায়ুর মান সবচেয়ে খারাপ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, দেশে বছরে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছে অভ্যন্তরীন বায়ু দূষণে। ঢাকার দুটি হাসপাতালে মিলেছে বাইরের বাতাসের তুলনায় দশ গুন বেশি দূষণ। দূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফুসফুস, চোখ, কিডনি, মস্তিষ্কসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। ঘরোয়া বায়ু দূষণ থেকে রক্ষা পেতে ঘরবাড়ি ও রান্নাঘর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























