নুরনবী সরকার,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।। সোহেল নামে এক ছেলের সাথে ফেসবুক ও টিকটক করতে গিয়ে প্রেমের পর বিয়ে করে বিয়ের আগে ও পরে ২ বার ভারতে পাচার করা হয়েছে শাম্মি (ছদ্মনাম) নামে এক নারীকে। ভারতে যাওয়ার ও ভারত থেকে পালিয়ে আসার সময় দুই বার তাকে ধর্ষনও করেন পাচারদলের সদস্যরা। টাকার জন্য শাম্মিকে আটকিয়ে রাখেন পাচারদলের সদস্যরা। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে এসেছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় আশ্রয় গ্রহন করেন শাম্মি। এ ঘটনার মুল হোতা সোহেল মিয়া হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বেতাপুর গ্রামের কিবরিয়ার পুত্র।
তারপর আবারও প্রতারণার আশ্রয় গ্রহন করেন প্রেমিক থেকে স্বামী হওয়া সোহেল। শাম্মিকে পাচারের জন্য আবারও পাচারকারীদের সাথে যোগাযোগ করে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে পাঠিয়ে দেয় স্বামী সোহেল। গত ১৩ মে ভোরে পাচারকারীরা তাকে ওই উপজেলার দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করে দেয়। এ সময় শাম্মিকে ধর্ষণ করেন ওই পাচার দলের সদস্য মোকছেদুল। শাম্মি ভারতে প্রবেশের পর বুঝতে পারেন তার স্বামী তাকে পাচারকারীদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। ১৫ মে রাতে আবারও শাম্মি কৌশলে দেশে দহগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর এবার আশরাফুল ইসলাম নামে অপর এক পাচারকারী দলের সদস্য তাকে ধর্ষন করেন। টাকার জন্য শাম্মিকে ১৫ মে থেকে আটকিয়ে রাখেন পাচার দলের সদস্যরা। সেখান থেকেও কৌশলে পালিয়ে পাটগ্রাম থানায় আশ্রয় গ্রহন করে শাম্মি।





























