সরকারি চাকরিতে সাড়ে তিন লাখের মত পদ খালি আছে। এর মধ্যে অনেক পদই কোটার কারণে পূরন হচ্ছে না। চাকরি পাচ্ছে না মেধাবীরাও। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ চাকরি প্রার্থীরা। আগামী সপ্তাহে কঠোর আন্দোলনে নামছে প্রার্থীরা। এ অবস্থায় বিশ্লেষকদের দাবি কোটা পদ্ধতি দ্রুত সংস্কারের।
পাবলিক সার্ভিস কমিশন -পিএসসির তথ্য বলছে, কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ৩১তম বিসিএসে ৩৬টি, ৩২তম বিশেষ বিসিএসে ১৩টি, ৩৩তম বিসিএসে ৯১টি এবং ৩৪তম বিসিএসে ৬২টি প্রথম শ্রেণির পদ খালি রয়েছে। একইভাবে ৩৩তম বিসিএসে ৮৫টি,৩৪তম বিসিএসে এক হাজার ২৪৬টি দ্বিতীয় শ্রেণির পদ খালি রয়েছে।
প্রতিবছরই দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। তার বিপরীতে কোটার কারণে পদশূন্য রেখেই একেকটি বিসিএসে নিয়োগ হচ্ছে। তাছাড়া অনেক চাকরিই আছে যেখানে কোটা ছাড়া কোন প্রার্থী আবেদন করতে পারে না। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ চাকরি প্রার্থীরা। এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন কোটা মানে পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সাময়িকভাবে সুবিধা দেয়া। কিন্তু এখন যেটি হচ্ছে বছরের পর বছর এই কোটা বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। তাই কোটা ব্যবস্থা দ্রুত সংস্কার না করলে দেশে বেকারত্ম আরো বাড়বে।
পিএসসি থেকেও কোটার সংস্কার নিয়ে কয়েকদফা আলোচনা হয়েছে। তবে চেয়ারম্যান বলছেন, সরকারের নীতি অনুযায়ীই তারা পরীক্ষা নিবে। কোটা সংস্কারের দাবিতে এরই মধ্য আন্দোলনে নেমেছে চাকরিপ্রার্থীরা। আগামী সপ্তাহে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা।
অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























