ডিএসইর কৌশলগত বিনিয়োগকারী হতে সম্প্রতি প্রস্তাব দেয় চীন ও ভারতের কিছু প্রতিষ্ঠান। তবে, শেয়ারের দাম ও অন্যান্য দিক বিবেচনায় চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবকেই আকর্ষণীয় মনে করছেন ডিএসইর শেয়ার হোল্ডার পরিচালক।

কৌশলগত অংশীদার হিসেবে চীনের শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি কারিগরি দিকেও পুঁজিবাজার সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করছেন ডিএসইর শেয়ারহোল্ডার পরিচালক। এ নিয়ে পুঁজিবাজারে উদ্বেগের কিছু নেই বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা।২০১০ সালে শেয়ারবাজারে ধসের পর বাজারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা আলাদা অর্থাৎ ডিমিউচুয়ালাইজ করা হয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন অনুসারে, ডিএসইর ১৮০ কোটি শেয়ারের মধ্যে ২৫ শতাংশ কৌশলগত অংশীদারদের কাছে বিক্রি করা যাবে।
চীন-ভারতের খবরে পুঁজিবাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়। দরপতন হয় দেশের দুই পুঁজিবাজারেই। তবে, বিষয়টি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ বাজার বিশ্লেষকদের। এর আগে, কৌশলগত শেয়ার বিক্রি নিয়ে উদ্বেগ জানায় নিয়ন্ত্রক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি। সংস্থাটির বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও আপত্তিকর বলে বিবৃতি দেয় বিএসইসি।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে