১৯৭১ এ দেশের এক যৌনপল্লীর কর্মীদের জীবনের ঘাত-প্রতিঘাত আর বেঁচে থাকার কাহিনীকে রূপালী পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন চলচ্চিত্রটির পরিচালক জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সুপারস্টার মান্নাভাই এই চলচ্চিত্রের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। একটা সিনেমার নির্মাণ, সেন্সর নিয়ে যে এতটা জটিলতা হয়, এ ধরনের খুব কম সংখ্যক সিনেমা রয়েছে তার মধ্যে এটি একটি।খোরশেদ আলম খশরুর প্রযোজনায় এই সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন বাপ্পারাজ, মৌসুমী, মিশা সওদাগর, দিঘি ও আফজাল শরীফ।
খোরশেদ আলম খশরু বলেন, আমরা যখন ছবিটি শুরু করি তখন এই ছবিটির নাম ছিল ‘লীলা মন্থন’। আমরা সেন্সর বোর্ডে এই নামটি দিতে চাইনি। তাই পরবর্তীতে চলচিত্রের নাম পরিবর্তন করে ‘জীবনযন্ত্রণা’ রাখা হয়। এবং ওই সময়ে সিনোমাটি অনেক বিগ বাজেটের সিনেমা ছিল।নির্মাণের পর বহু বছর পার হয়ে গেছে। মারা গেছেন সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক মান্না। আর এই সিনেমায় শিশুর চরিত্রে অভিনয় করা দিঘি এখন নিজেই চিত্রনায়িকা।শুটিং শেষের ১৩ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের ভিন্নধর্মী গল্প আর প্রয়াত নায়ক মান্নার টানেই দর্শকরা গ্রহণ করবে এই চলচ্চিত্র, এমনটাই আশা করছেন নির্মাতা- প্রযোজক-পরিবেশকেরা।
তথ্যঃ ডিবিসি























