ব্যবহারকারীর অজান্তে তার তথ্য সংগ্রহ করে ফেসবুক। এসব তথ্য ব্যবহার করেই ব্যবসা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুকের তথ্যের অপব্যবহারের কারণে দেশে সম্পদ বিনষ্ট, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্পর্শকাতর ও ব্যাক্তিগত তথ্য প্রকাশে সর্বোচ্চ সতর্কতার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।রোববার সকালে রাজধানীতে সাইবার সিকিউরিটি ট্র্যাজেডি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
দেশে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা। প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নেপোলিয়নক্যাটের জানিয়েছে, চলতি বছরের মে পর্যন্ত বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা চার কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার, যা মোট জনসংখ্যার ২৮ ভাগ।ফেসবুকের মাধ্যমে দেশে অনলাইন ব্যবসার প্রসার ঘটলেও অনেক সময় এটি ব্যবহার করে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক তথ্য প্রচার করা হয় । বিভিন্ন উসকানিমূলক পোস্টের কারণে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনাও ঘটেছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানান, ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার ৭০ হাজার পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করে ফেসবুক। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব তথ্য দিয়ে ফেসবুক আয় করছে বিলিয়ন ডলার। ফেসবুকের দুর্বল ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর কারণে ২০১২ সালে রামুর হামলা থেকে শুরু করে চলতি বছর কুমিল্লা, নোয়াখালি, চাদপুর ও রংপুরে প্রাণহানি ও সম্পদ বিনষ্টের ঘটনা ঘটে।
এ ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে, জানালেন বিডিজি ই-গভসার্টের প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকতউল্লাহ।বিশ্বে বর্তমানে ৩৫ লাখ সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের চাহিদা রয়েছে। তাই দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ বিষয়ে ডিপ্লোমাসহ সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন কোর্স চালুর আহ্বান জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ




























