পবিত্র সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে আজ ভিন্ন এক বাস্তবতায় আজ (শুক্রবার) সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ কারি কাজী মাসুদুর রহমান।

জামায়াত শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত। মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। পাশাপাশি দোয়া করা হয় সম্প্রতি বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য। এছাড়া মোনাজাতে সব উম্মতে মোহাম্মদির গুনাহ মাফ চাওয়া হয়। সব মৃত ব্যক্তির কবরের আজাব মাফ চাওয়া হয়। যে কোনো বিপদ থেকে দেশকে হেফাজতের জন্য প্রার্থনা করা হয় মোনাজাতে।

করোনাভাইরাস থেকে পরিত্রাণ চেয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়। এরপর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে সৃষ্টিকর্তার দরবারে ফরিয়াদ জানায় হাজার হাজার হাত। মুনাজাতে ইমাম করোনাভাইরাস থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। এ সময় ‘আমিন আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয় ঈদগাহ।

নামাজের আগে দুর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররম মসজিদে আসতে শুরু করেন। মসজিদের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকেই বাইরে নামাজ পড়েন। মসজিদের প্রবেশপথে জীবাণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা ছিল। যাদের মুখে মাস্ক ছিল না তাদেরকে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই জামাতে অংশ নেন। তবে সামাজিক দূরত্ব মানতে অনেকের মধ্যে অনীহা দেখা গেছে। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে আজ ভিন্ন এক বাস্তবতায় আজ (শুক্রবার) সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সকাল ৭টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ কারি কাজী মাসুদুর রহমান।

জামায়াত শেষে খুতবা পেশ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় দোয়া ও মোনাজাত। মোনাজাতে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়। পাশাপাশি দোয়া করা হয় সম্প্রতি বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতদের জন্য। এছাড়া মোনাজাতে সব উম্মতে মোহাম্মদির গুনাহ মাফ চাওয়া হয়। সব মৃত ব্যক্তির কবরের আজাব মাফ চাওয়া হয়। যে কোনো বিপদ থেকে দেশকে হেফাজতের জন্য প্রার্থনা করা হয় মোনাজাতে।

করোনাভাইরাস থেকে পরিত্রাণ চেয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের পর দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়। এরপর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে সৃষ্টিকর্তার দরবারে ফরিয়াদ জানায় হাজার হাজার হাত। মুনাজাতে ইমাম করোনাভাইরাস থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। এ সময় ‘আমিন আমিন’ ধ্বনিতে মুখরিত হয় ঈদগাহ।

নামাজের আগে দুর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররম মসজিদে আসতে শুরু করেন। মসজিদের ভেতরে জায়গা না পেয়ে অনেকেই বাইরে নামাজ পড়েন। মসজিদের প্রবেশপথে জীবাণুনাশক স্প্রের ব্যবস্থা ছিল। যাদের মুখে মাস্ক ছিল না তাদেরকে বিনামূল্যে মাস্ক সরবরাহ করে মসজিদ কর্তৃপক্ষ। মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই জামাতে অংশ নেন। তবে সামাজিক দূরত্ব মানতে অনেকের মধ্যে অনীহা দেখা গেছে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে