অসর্তকর্তার কারণে অনাকাঙ্খিতভাবে নারীদের গর্ভে মানবভ্রুণের সৃষ্টি হয়। অপরিকল্পিত এইসব গর্ভধারণের কারণে অনেক নারীই বেঁছে নেয় গর্ভপাতের পথ। রাজধানীসহ সারাদেশের বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে দেদারছে চলছে অবৈধভাবে ভ্রুন হত্যা ও অ্যাবোরশন ব্যবসা। শুধু তাই নয়, ক্লিনিকগুলোর বাইরে চাকচিক্য থাকলেও অন্তরালে রয়েছে অব্যবস্থপনার নজিরবিহীন চিত্র।

সন্তান প্রসবের আগে, সাধারণত গর্ভধারণের প্রথম ২৮ সপ্তাহের মধ্যে জরায়ু থেকে ভ্রণের অপসারন ও বিনষ্টকরনকে বলা হয় গর্ভপাত। বিষয়টিকে সরাসরি শিশুহত্যা বলেই আখ্যা দিয়েছেন বিশ্বের খ্যাতনামা চিকিৎসা বিজ্ঞানী, ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার কর্মীরা। তবে অনেক সময়েই অনিরাপদ যৌন সর্ম্পকের কারণে গর্ভধারণের পর গর্ভপাত করানো হচ্ছে। সমাজ ও পরিবারের দুর্নাম বাঁচাতে অনেকেই বেছে নেয় এই পথ। এই সুযাগে বিভিন্ন ক্লিনিক ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে গর্ভপাতের নামে চলছে গলাকাটা ব্যবসা। এক শ্রেনীর দালাল ও সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের অর্থ। হাসপাতালের মালিক নিজেই অ্যাবোরশনের জন্য দাবী করেন মোটা অংকের টাকা। কিন্তু ক্যামেরা দেখতেই পাল্টে যাই সব চিত্র। সব অভিযোগ বেমালুম অস্বীকার করেন মালিক নিজেই। প্যাথলজি তকমা থাকলেও নেই কোন সরঞ্জাম, নেই কোন নিয়মনীতি। বিষয়টি অকপটে স্বীকারও করেন গাইনি চিকিৎসক। শুধু হাসপপাতাল নয়, বাসা বাড়িতেও গোপনে ঘটছে গর্ভপাতের ঘটনা।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের গর্ভপাত আইন চলছে ১৮৬০ সালের ব্রিটিশ পেনাল কোড অনুযায়ী। যেখানে অন্তঃসত্তার জীবন বাঁচানো ছাড়া অন্য কোন কারনে গর্ভপাত নিষিদ্ধ।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে