বলা হতো বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে কোনো তল নেই। কিন্তু সাগরের এই তলদেশে পানির গভীরতাও এখন মাপা যাচ্ছে। তিমি, হাঙ্গর ছাড়াও দামি সামুদ্রিক সম্পদের বিশাল মজুদ সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে। মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় ও নৌবাহিনীর সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য।

দিগন্তজোড়া নীল জলে ঝাঁকে ঝাঁকে ডলফিন ছুটে চলার এ অনাবিল সৌন্দর্যের দেখা মিলবে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে মংলা বন্দরের প্রায় দুইশো মাইল দক্ষিণের বঙ্গোপসাগরে। বিশাল আকারের ইরাবতী ডলফিন, ইন্দো প্যাসিফিক ডলফিন ও পাখনাহীন ইমপ্লাইস ডলফিনের পাশাপাশি ভেসে ওঠে তিমি-হাঙ্গরও। আর সোয়াচ যেন মাছের খনি।গবেষকদের মত, ডলফিন ও তিমির মতো বড় সামুদ্রিক প্রাণীর প্রজনন কেন্দ্র- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। নানা জাতের কাছিম ও কাকড়াও এখানে আসে ডিম ছাড়তে। গুরুত্ব ও গভীরতা বিবেচনায় সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয় ব্রিটিশ শাসনামলে। এটি বিশ্বের ১১টি গভীরতম গিরিখাতের একটি। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এটি মূলত: সামুদ্রিক অভয়াশ্রম।গত মার্চ ও নভেম্বরে সোয়াচে দুই দফায় গবেষণা চালায় ইসাবেলা ফাউন্ডেশন, এ কাজে বিশেষায়িত জরিপ জাহাজ মীন সন্ধানীর সহায়তা নেন ৪০ গবেষক।

তলাবিহীন সোয়াচে পানির গভীরতা প্রায় সাড়ে সাতশো মিটার বা আড়াই হাজার ফুট- নিশ্চিত হয়েছেন গবেষকরা।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে