সরকারি হাসপাতালে ঘাটে ঘাটে বখশিস না দিলে মিলছে না কর্মচারীদের সেবা। কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশের সাতশো’র বেশি সরকারি হাসপাতালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর কমপক্ষে ৩৫ হাজার পদ খালি থাকায় জিম্মি হচ্ছেন রোগীরা। আইনী জটিলতার কারণে এইসব পদে নিয়োগও দেয়া যাচ্ছে না।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ওয়ার্ডের ভেতরে যেতে চাইলে আটকে দেন নিরাপত্তাকর্মী। পরে একশো টাকায় অনুমতি মেলে ভেতরে যাওয়ার। একই চিত্র ঢাকা মেডিকেলেরও। বিশেষ বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া এসব কর্মচারী হাসপাতাল থেকে পান না কোনো বেতন। ভরসা রোগী ও তাদের স্বজনের বখশিস। দেশের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির প্রায় ৪শো পদ খালি থাকায়, অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ চালাতে হয় কয়েকশো কর্মী দিয়ে। আর এভাবেই চলছে সাতশোর বেশি সরকারি হাসপাতাল। কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা ১৯৮৫-র আলোকে নিয়োগ দেয়া হতো সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু উচ্চ আদালতের আদেশে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর সঙ্গে সেই বিধি বাতিল হওয়ায়, গেলো ৫ বছর বন্ধ সেই নিয়োগ।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এরই মধ্যে তৈরি করা হয়েছে নতুন নিয়োগবিধি। এটি পাশ হলেই শুরু হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদ ৭০ হাজার। এর ৫০ ভাগই রয়েছে খালি।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে