ফাইনালের মেগা ম্যাচে মুখোমুখি দুই অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মাশরাফী বিন মোর্তজা। টুর্নামেন্টের রেকর্ড তিন শিরোপা মাশরাফির আর একটি জিতেছেন সাকিব। এবার শেষ হাসি কে হাসবেন সেটাই আলোচনায়।
সাকিব-মাশরাফি, বিপিএলে দুই ক্যাপ্টেনের শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে একটি তথ্যই যথেষ্ট। টুর্নামেন্টের চার আসরে এ দুজন ছাড়া কেউই শিরোপা হাতে নিতে পারেন নি। ৪র্থ ফাইনাল খেলছেন ক্যাপ্টেন ম্যাশ, সাকিবের উপস্থিতি তিনটিতে।
২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফির ইনজুরিতে দলের নেতৃত্ব ওঠে সাকিবের কাঁধে। গত শ্রীলঙ্কা সফরেও মাশরাফি টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ায় শুন্যতা পুরণ করেন সাকিব। মাত্রই টেস্ট ক্যাপ্টেন্সির ব্যাটন পাওয়া সাকিব, অদুর ভবিষ্যতে ওয়ানডেতেও মাশরাফির উত্তরসূরি হবেন এমনটাই ধারণা।
বিপিএলেও চলছে মাশরাফি-সাকিবের এই পালা-বদল। ৩য় আসরে কুমিল্লাকে শিরোপা জেতান মাশরাফি, পরেরবারেই মাশরাফিকে সরিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট সাকিবের ঢাকার মাথায়। আবারও সেই সাকিব- মাশরাফি, এবার কি সাকিবের টানা দুই নাকি মাশরাফির শিরোপা পুনরদ্ধার।
বিপিএলের গত আসরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে দেখা হয়েছিল দুই ক্যাপ্টেনের। সেবার অবশ্য ৭২ রানের বড় জয় মাশরাফি বাহিনীর। পাল্টেছে পরিচয় সেদিন রংপুরের নেতা সাকিব আজ খেলবেন তাদের বিপক্ষেই। ৪ উইকেট নেওয়া পেইসার আবু হায়দার রনি আজ শিবির পাল্টে সাকিবের তূনে যোগ হয়েছেন। অন্যদিকে রংপুরের বড় ভরসা মোহাম্মদ মিঠুন ওই ম্যাচে ছিলেন সাকিবের দলে।
বিপিএলে মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এগিয়ে সাকিব। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত দুই দেখায় সমান এক জয় সাকিব ও মাশরাফির। গত আসরের দুই দেখায় দু’বারই বাজিমাত সাকিবের ঢাকার। তৃতীয় আসরেও দুই দেখায় এক-একে সমতা।
দুই দলের তারকার ছড়াছড়ি, তারপরও ফাইনালে পৌছাতে সাকিব-মাশরাফির সামনে থেকে নেতৃত্ব অস্বীকার করবেন না কেউই। আজো পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন টাইগার ক্রিকেটের দুই নক্ষত্রের যেকোন একজন।
স্পোর্টস ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























