দৌলতদিয়ায় ফেরি ও লঞ্চঘাট উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যাত্রী ও মালামাল পরিবহনে সরকার অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। দৌলতদিয়ায় অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধে মালিক, শ্রমিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশসহ সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। বললেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। বৃহস্পতিবার রাজবাড়ী জেলার দৌলতদিয়া ঘাটে জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজ প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে সুষ্ঠু ও নিরাপদ গাড়ি পারাপারের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে এ আলোচনার আয়োজন করা হয়। শাজাহান খান বলেন, আগামীতে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় নদীর ওপর দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে।তিনি বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি সুষ্ঠুভাবে চলাচলের ক্ষেত্রে সরকার আন্তরিক। ফেরিতে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের লক্ষ্যে সরকার ফেরি নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর সরকারের গত মেয়াদে ১৭টি ফেরি নির্মাণ করা হয়েছে, বর্তমান মেয়াদে আরো ১২টি ফেরি নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ীর রাখালগাছি-মানিকগঞ্জের আরিচার মধ্যে নতুন ফেরিরুট চালু করা হবে। এছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে আরো ৮ থেকে ১০টি নতুন ফেরিরুট চালু করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী,বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ড. জ্ঞান রঞ্জন শীল, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফকির আব্দুল জব্বার, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন এবং মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

ন্যাশনাল ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে