চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে বাংলাদেশ এমন আশঙ্কা করছেন গবেষকরা। চীনা অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য স্বচ্ছতার সাথে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে এই আশঙ্কা জানান বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তবে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিষয়টির সাথে দ্বিমত প্রকাশ করে জানিয়েছেন, এই ধারণা ভুল।

বাংলাদেশ নয়, আফ্রিকার কয়েকটি দেশ চীনের ঋণের ফাঁদে পড়েছে। এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সাথে বৃহৎ পরিসরে চীনা মুদ্রায় লেনদেন চালুর জন্য সহযোগিতা চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে প্রথম স্থানটি দখল করেছে চীন। ২০১৮ সালে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ছিল ১শ’ ২০ কোটি ডলার। তবে এই বিনিয়োগের অধিকাংশই সরকারিভাবে অবকাঠামো খাতে। তাই বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল সেমিনারে এসব তথ্য তুলে ধরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। এদিকে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জি মিং জানান, বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ সহজ করতে ডলার ও ইউরোর মত চীনা মুদ্রায় লেনদেনের জন্য ৫’শ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দিতে চায় চীন। এ লক্ষ্যে চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়ে মুদ্রানীতির মাধ্যমে সহায়তা চেয়েছে। অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ডক্টর রেহমান সোবহান বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচকভাবে দেখা প্রয়োজন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে