খাদ্য ভাতাসহ ১১দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে অর্নির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের পণ্যবাহী জাহাজ ও নৌযান চলাচল এবং পণ্য ওঠা-নামা। দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। এদিকে, শ্রমিকদের সব দাবি মানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে মালিকপক্ষ। সমস্যা সমাধানে আন্দোলন না করে আলোচনায় বসার আহ্বানও জানান তারা।

খাদ্য ভাতা, নৌপথে চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও পুলিশি নির্যাতন বন্ধ করাসহ ১১ দাবিতে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। ফলে সারাদেশে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল ও ঘাটে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ রয়েছে।

ধর্মঘটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য খালাস এবং নদীপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। দেড় হাজারের বেশি লাইটারেজ জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার, বাল্ক হেড আটকে আছে কর্ণফুলী নদীতে। ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে খুলনাসহ দক্ষিনাঞ্চলের সব ঘাটে পণ্য উঠা-নামা বন্ধ রয়েছে। নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা জানান, দক্ষিনাঞ্চলে ৪ শতাধিক পন্যবাহী নৌযান বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, ১৫ দফা দাবিতে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর পাঁচ নম্বর ঘাট এলাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে নৌ-যান শ্রমিক কর্মচারীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান তারা।

নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে মোংলা বন্দর প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। পণ্য খালাস না হওয়ার কারছে পশুর চ্যানেলে আটকে আছে অনেক জাহাজ। মালিকপক্ষ ও সরকার দাবি মেনে নেয়া না পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে জানান শ্রমিক নেতারা। এদিকে, বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বৈশাখী টেলিভিশনকে জানান, শ্রমিকদের বেশিরভাগ দাবি মানা সম্ভব নয়।

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মাঝে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে