দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত শেষ হয়ে আসছে। এ কারণে কয়েক বছর ধরে আবাসিক গ্রাহকদের নতুন গ্যাস সংযোগ দিচ্ছে না সরকার। আবার যাদের সংযোগ আছে তারাও নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পান না। ফলে দৈনন্দিন রান্না মেটাতে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ সুযোগে গ্রাহকের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ইচ্ছা মতো আদায় করছে বেসরকারি কোম্পানিগুলো। মূল্য নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় এ খাতে চলছে ‘নৈরাজ্য’, বাড়তি মূল্যে বিপাকে ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ!
সারাদেশে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আজ রোববার থেকে বাড়ানো হচ্ছে। কোম্পানিগুলো প্রতি সিলিন্ডারে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এতে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ভোক্তাদের কিনতে হবে ৮০০ থেকে ৮২০ টাকায়। গতকাল শনিবার পর্যন্ত যা ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলপিজি বিপণনকারী কোম্পানিগুলো একযোগে ঘোষণা না দিলেও ইতোমধ্যে পৃথকভাবে দাম বাড়ানোর কথা নিজেদের পরিবেশকদের জানিয়েছে। বাড়ানোর কারণ হিসেবে ডলারের দাম বৃদ্ধির বিষয়কে সামনে এনেছেন ব্র্যান্ডগুলোর কর্মকর্তারা। তারা বলেন, এতে এলপিজির আমদানি ব্যয় টনপ্রতি ৩৫ ডলার বেড়েছে। এ জন্য ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৪০ টাকা বাড়াতে হয়েছে।
জানা গেছে, দেশে এলপিজির বাজার যেমন সম্প্রসারিত হয়েছে, তেমনি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতাও বেড়েছে। বাজার ধরতে অনেককে কম দামে গ্যাস সরবরাহ করতে হচ্ছে। এতে বেশিরভাগকে লোকসান গুণতে হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার জন্য দাম বাড়ানোর বিকল্প নেই।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ














