

ভারতে কৃষি বিল পাসের বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন কৃষকরা। বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরুদ্ধে পাঞ্জাব , হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশসহ বিভিন্ন জায়গায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন তারা।
সরকারকে হুঁশিয়ার করে কৃষকরা বলেছেন, অবিলম্বে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে আন্দোলন আরো জোরদার করা হবে। এমন অবস্থায় বিহার বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।কয়েকদিন আগে রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গিয়েছে তিনটি কৃষি বিল। আর নতুন এই কৃষিবিলের প্রতিবাদে পাঞ্জাবের বেশ কয়েকটি কৃষি সংগঠন ‘ভারত বনধ’ ডেকেছে। কংগ্রেস ও বিরোধী আপ এই দুই দলই কৃষকদের এই বনধকে সমর্থন করেছে। পাঞ্জাবের ৩১টি কৃষি সংগঠন ভারতে এই বনধ ডেকেছে।
প্রসঙ্গত, এই বিল পাশের সময় ৮ বিরোধী সাংসদের বিরুদ্ধে উচ্চকক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছিল। আর এই ৮ জন সাংসদকে সোমবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু সাসপেন্ড করেছিলেন। এই বনধ প্রসঙ্গে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং জানিয়েছেন যে পাঞ্জাব সরকার কৃষকদের পাশে রয়েছে। আর তাই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের কোনও অভিযোগ করা হবে না।
হরিয়ানার ‘ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন’ জানিয়েছে, তারা কোনও কোনও সংগঠনের দেশব্যাপী বনধের প্রস্তাবকেও সমর্থন করেছেন। এক বিবৃতিতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং জানিয়েছেন, তাঁর সরকার কৃষকদের পাশে রয়েছে। সেই কারণে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের কোনও অভিযোগ নথিবদ্ধ করা হবে না। এদিকে কৃষি বিলের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করে দিয়েছে কংগ্রেসও। কৃষি বিলের বিরুদ্ধে ২ কোটি স্বাক্ষর সংগ্রহের অভিযান শুরু করেছে তারা।
যুব কংগ্রেস দেশের নানা স্থানে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক সিংভি মোদি সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বিলের ব্যাপারে সকলকে ভুল বুঝিয়েছেন। তাঁর দাবি, এই বিলের ফলে দেশের কৃষক শ্রেণি কর্পোরেট দাসত্বের শিকার হবে। মেয়ো রোডে ধরনা শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে বাংলাতে এই বিলের পক্ষে গিয়ে কৃষকদের নিয়ে জেলায় জেলায় মিছিল করার পরিকল্পনা নিয়েছে।/সংবাদ প্রতিদিন
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























