পাটকলের পর এবার সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্বে যাচ্ছে লোকসানে থাকা চিনিকলগুলো। তবে এতে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। এদিকে চিনিকলগুলোকে সঠিকভাবে উৎপাদনমুখী করতে বেজা বা বেপজার আওতায় আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
দীর্ঘদিন ধরে লোকসানে চলছে দেশের বেশিরভাগ সরকারি চিনিকল। নানা অব্যবস্থাপনায় প্রতি বছর ভর্তুকি বাবদ মোটা অংকের অর্থ খরচ করছে সরকার। তাও কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা মিলছে না। তাই কিছু চিনিকলকে বেসরকারি খাতে ছেঁড়ে দেয়ার চিন্তা করছে সরকার।
বাংলাদেশ চিনি শিল্প করপোরেশনের আওতায় মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে। সংস্কারের লক্ষ্যে সব কারখানাকে সম্ভাবনাময়, মাঝারি সম্ভাবনাময় ও সম্ভাবনাহীন এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি মিলের যন্ত্রপাতির দাম, জমির মূল্য ও শ্রমিকদের পাওনার হিসেব চাওয়া হয়েছে। যা পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে।
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন জানান, লাভজনক চিনিকলগুলোকে সরকারি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। বাকিগুলোকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপি’র মাধ্যমে পরিচালনার চিন্তা করছে সরকার। সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম জানান, উৎপাদন বৃদ্ধি ও লাভজনক করতে টেকসই পরিকল্পনা নিতে হবে। চিনিকলগুলোকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজা বা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা মাধ্যমে পরিচালনা করা যেতে পারে।
সরকারি চিনিকলগুলো সংস্কার নিয়ে শঙ্কায় আছেন শ্রমিকরা। ইতিমধ্যে সরকারি এ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করছেন তারা। আগামী বছরেই সরকারি চিনিকলগুলোতে পিপিপি’র কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ


























