বাংলাদেশ ও ভুটানের দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে থিম্পুতে ৬টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভুটানের রয়েল ব্যাঙ্কুয়েট হলে এ চুক্তি সই হয়। এর আগে দুপুরে ভুটানের রাজার আমন্ত্রণে রাজপ্রাসাদে জাঁকজমক আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নেয়া হয়। এরপর, ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে এখন ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অবস্থান করছেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় রয়েল ব্যাঙ্কুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় চুক্তি স্বাক্ষর পক্ষ পর্ব। যেখানে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি, শিক্ষা বিনিময় বিষয়ক, শুল্ক মুক্ত পণ্য বিষয়কসহ দুইটি চুক্তি ও ৪ টি সমঝোতা স্বাক্ষর হয়। এর আগে দুপুর আড়াইটার পর নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রায় নিয়ে যাওয়া হয় ভুটানের রাজার রাজপ্রাসাদে। সেখানে বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতা আর রাজকীয় অনুষঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান জানায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর সম্মিলিত দল। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো হয় প্রাসাদের অভ্যন্তরে।

প্রাসাদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক ও রানীর সাথে। বেশকিছু সময় একান্তে কথা বলেন তারা। এর আগে, বেলা ১১ টার কিছু পরে থিম্পুর পারো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শেখ হাসিনা অবতরণ করলে তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগেসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিয়ে দেয়া হয় ঐতিহ্যবাহী স্কার্ফ, লাল গালিচায় সম্মান জানানো হয় গার্ড অব অনারে।
সন্ধ্যায় রয়েল ব্যাঙ্কয়েট হলে শেরিং তোবগে ও শেখ হাসিনার দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে বেশকিছু চুক্তি ও সমঝোতা সই হওয়ার কথা রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























