শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। ইতোমধ্যে কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির দুই নিকট আত্মিয়সহ মোট ১৮ জনের তালিকা তৈরি করে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক। মাদক ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া গেলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে যাবে বলে মনে করে টিআইবি।
দেশে মাদক ব্যবসায় জড়িত এমন শীর্ষ ১৮ ব্যক্তির সম্পদের উৎস জানতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। তালিকায় আছে কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির ভাই ও ভাগ্নে।মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের হিসেবে বাজারে ছড়িয়ে পড়া মোট মাদকের মাত্র ১০ ভাগ আটক করতে পারে সরকারি সংস্থাগুলো। ক্ষেত্র বিশেষে এই ব্যবসায় লাভ হাজার ভাগ। তাই প্রকাশে বা গোপনে বিভিন্ন স্তরের মানুষ জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসায়। এরকম ঘণবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিণত হয়েছে মাদকের স্বর্গরাজ্যে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প মাদকের অন্যতম বড় বাজার। যা নিয়ন্ত্রণ করছে মাদক ব্যবসায়ীদের ১০টি গ্রুপ। অল্প দিনেই যারা মালিক হয়েছে অঢেল সম্পদের।
সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বহাল তবিয়তে থাকে মাদকব্যবসায়ীরা। এমন দাবি টিআইবির। তাঁর মতে, সম্পদের হিসেব নেয়ার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার টাকা কোথায় পাচার হচ্ছে তাও খুঁজে বের করা দরকার।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ





























