সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর এবার ইসরাইলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়েছে বাহরাইন। গতকাল শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানান। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও বাহরাইনের এক যৌথ বিবৃতিতেও পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের কথা জানানো হয়। খবর সিএনএন, বিবিসি ও আল জাজিরার।

বাহরাইন ও ইসরাইলের এমন সম্পর্কে ঘোরতর বিরোধীতা দেখিয়ে বিবৃতি দিয়েছে তুরস্ক ও ইরান। তুরস্ক বলছে, এটি ফিলিস্তিনের প্রতি অবৈধ অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার এবং ফিলিস্তিনের ভূমি দখল স্থায়ী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে ইসরাইলকে আরও উৎসাহিত করবে। আর ইরান বলছে, এটা ইসলাম ও ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বাহরাইনে বিশ্বাসঘাতকতা।

মিশর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে পর ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা মধ্য প্রাচ্যের ৪র্থ দেশ হলো বাহরাইন। এদিকে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) বাহরাইন ও ইসরাইলের এ চুক্তিকে আরব রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটি বিশ্বাসঘাতকতা উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে। গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত-ইসরাইলের চুক্তির মতো এ চুক্তিটিও ‘ফিলিস্তিনিদের পিছনে আরও একটি ছুরিকাঘাত’ বলে জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও বাহরাইনের যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং বাহরাইনের রাজা হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় ইসরাইল ও বাহরাইন সম্পর্ক স্থাপনে সম্মত হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘১৫ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউজে ইসরাইল এবং আমিরাতের সঙ্গে চুক্তিতে বাহরাইনও যোগ দেবে। এত দ্রুত যে ইসরাইল-বাহরাইনের সম্পর্কটা এমন হবে তা সত্যিই আশ্চর্যের।’

উল্লেখ্য, গত মাসে আমিরাত ও ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিল। বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই পদক্ষেপ ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করা হয়।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে