বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের সাথে, ভারতের সামরিক চুক্তি বাস্তবায়ন কৌশলের কোনো যোগসাজশ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার। জাতীয় প্রেসক্লাবে গণসংহতি আন্দোলনের এক আলোচনায় এমন দাবি জানিয়েছেন বক্তারা।
তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে যেসব চুক্তি সই হতে যাচ্ছে, তার বেশির ভাগই ভারতের স্বার্থে। এতে বাংলাদেশের জনগণের আশা আকাঙ্খার কোন প্রতিফলন হবে না। সেই সাথে বাংলাদেশ যেনো ভারত ও চীনের অস্ত্র বিক্রি প্রতিযোগিতার বলি না হয়, সে ব্যাপারে শাসক গোষ্ঠির পদক্ষেপ চান তারা। জাতীয় ঐক্য না হলে বাংলাদেশ কখনোই বিদেশি শক্তির আধিপত্যমুক্ত হবে না বলেও মত বক্তাদের।
সামরিক সরঞ্জামাদি কিনতে বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে ভারত। ১ শতাংশ হারে সুদসহ যা পরিশোধ করতে হবে ২০ বছরে। এজন্য মিলবে না কোনো গ্রেস পিরিয়ড। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। তবে এ টাকায় অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামাদি ভারত থেকেই কিনতে হবে কিনা, সমঝোতা স্মারকে খসড়ায় তা পরিষ্কার নয়। অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচক বললেও, কারও কারও আশঙ্কা এতে উপেক্ষিত হতে পারে বাংলাদেশের স্বার্থ।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























