ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটের পর এবার কক্সবাজারে হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। রানওয়ের জায়গা বাড়ানো ও শক্তিশালী করার কাজ প্রায় শেষ। এরইমধ্যে কক্সবাজারের খুরুশকুলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমি হারানো ৪ হাজার পরিবারের জন্য গৃহনির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এ অঞ্চলে পর্যটনসহ সব ধরণের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিমানবন্দরটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা সরকারের।

বর্তমান সরকারের প্রথম মেয়াদে ২০০৯ সালে কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। ব্যয় ধরা হয় ১১৯ কোটি টাকা। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। দুটি পর্যায়ে রানওয়ে দৈর্ঘ্য ৬৭৭৫ ফুট থেকে ৯০০০ ফুটে- এবং চওড়া ১২০ ফুট থেকে ২০০ ফুটে বাড়ানো, ফায়ার ফাইটিং যন্ত্র ক্রয়, পরিচালন অবকাঠামো উন্নয়ন, কার্গ ভবন নির্মাণসহ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তরের কাজ প্রায় শেষের পথে।

বিমানবন্দরটি চালু হলে এ অঞ্চল নিয়ে সরকারের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন, এসডিজির মুখ্য সমন্বয়ক। সরকারি হিসেবে বিমান বন্দর এলাকায় বাসস্থান হারিয়েছে ৪০০০ পরিবার। তাই আশ্রয় প্রকল্পরের আওতায় আবাসন সুবিধা দিতে কক্সবাজার টেকনাফ মহাসড়কের পাশে খুরুশকুলে একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে সেখানকার মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। মূল সড়ক থেকে প্রকল্প এলাকায় একটি রাস্তা নির্মাণ কাজ চলছে।এরপর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ২০২১ সালের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

২০১৯ সালে কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এটি হবে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর। তবে, আরো একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও বিশ্লেষকদের পরামর্শ, সম্ভাব্যতা যাচাই করে পদক্ষেপ কার্যকর করার।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে