কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে আসীন হচ্ছেন বিএনপির মনিরুল হক সাক্কু। অন্যদিকে, পরাজিত হলেও ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা। তবে তার পরাজয়ে বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দলীয় কোন্দলের কথা বললেও, রয়েছে ভিন্নমতও।

দ্বিতীয় দফায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে আবারো মেয়র সাক্কু। গত নির্বাচনে আফজাল খানকে বড় ব্যবধানে হারালেও এবার তার মেয়ে ব্যবধান কমালেও ছিনিয়ে আনতে পারেনি জয়। এ নগরে নৌকা ধানের শীষের লড়াইয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে হার মানতে হয়েছে সীমাকে। তবে এই জয় সাক্কুর ৫ বছরের নগর উন্নয়নের ফসল এমনটা নিয়ে একমত নন কুমিল্লা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। একজন  বলেন,’৫ বছরে এখানে যা কাজ হয়েছে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন অনুদান দিয়েছে। কাজের মূল্যায়ন করে তাকে ভোট দিয়েছে তাতে আমি একমত না।’দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহ মো আলমগীর খান বলেন, ‘তার উন্নয়ন গুলি হয়তো মানুষের কাছে ভালো লেগেছে। ড্রেনের পাড়ে দাঁড়িয়ে থেকে সংস্কার করেছে। তার কর্মসূচী গুলি পালন করার চেষ্টা করেছে।তবে নৌকার পরাজয়ের মূল কারণ স্থানীয় রাজনীতির প্রভাব বলে মনে করছেন তারা।’

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও বস্তি এলাকা গুলোতে আওয়ামী লীগ পৌছাতে পারেনি। এই জায়গাটায় সাক্কুর বিজয়ের বড় কারণ।’ শাহ মো আলমগীর খান বলেন,’সাক্কু সাহেবের সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে বিজয় এসেছে।’ সবকিছু ছাপিয়ে নির্বাচন কমিশন দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে