খুলনা-মোংলা রেল লাইন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের টাকা পরিশোধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দরিদ্র অনেক পরিবার জীবনের শেষ সম্বল বাপ-দাদার ভিটে-মাটি ছেড়ে যাওয়ার সময় জমি অধিগ্রহণের চেক নিতে গিয়ে পড়ছেন বিড়ম্বনায়। তাদের অভিযোগ, চেক নেয়ার সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার ও দালালদের উৎকোচ দিতে হচ্ছে। প্রশাসন বলছে, প্রমাণ পেলে দায়ীদের ছাড় দেয়া হবে না।

খুলনা-মোংলা রেল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের জন্য, অধিগ্রহণ করা জমি ও ঘরবাড়ির মূল্য পরিশোধ করা হচ্ছে, জমির মালিকদের। কিন্তু সহজে মিলছে না সেই জমির মূল্যের চেক। জমি মালিকদের অভিযোগ, চেক পেতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্ভেয়ার ও দালালদের দিতে হচ্ছে, মোটা অংকের টাকা। তারপরও জমির প্রকৃত মূল্য পাচ্ছেন না বলেও, অভিযোগ অনেকের। জেলা প্রশাসন স্বচ্ছতার আশ্বাস দিলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এদিকে জেলা প্রশাসক জানান, কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করলে তা তদন্ত করা হবে। প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।

খুলনা থেকে বাগেরহাটের মোংলা পর্যন্ত, ৬৫ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণে অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, ২৭৫ একর জমি।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে