রাজধানীর আশকোনায় র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্পে হামলার ঘটনা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হুমকি বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা। এ ধরনের আত্মঘাতী হামলাসহ যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরও তৎপর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। সেইসঙ্গে জঙ্গিদের কারা মদদ দিচ্ছে তা খুঁজে বের করতে না পারলে জঙ্গি তৎপরতা থামানো সম্ভব নয় বলেও মনে করেন তারা।

বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানায় আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর অভিযানের একদিন পরই রাজধানীর আশকোনায় হাজি ক্যাম্পের কাছে প্রস্তাবিত র‌্যাবের সদর দপ্তরে আত্মঘাতী জঙ্গী হামলা, এতে নিহত হয় হামলাকারী যুবক। আগে পরে অনেক জঙ্গী হামলা হলেও দেশের ইতিহাসে ভয়াবহ জঙ্গী হামলা হয় গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায়। এতে নিরাপত্তা রক্ষাবাহিনীর সদস্যসহ ২২ জন নিহত হয় যাদের বেশীর ভাগই বিদেশী নাগরিক। এরপর শোলাকিয়ায় জঙ্গী হামলা হয় এতেও এক নিরাপত্তা রক্ষাবাহিনীর সদস্যসহ নিহত হয় এক নারী। জঙ্গীদের এমন হামলা বন্ধ করতে পিছনের মদদ দাতাদেরও খুঁজে বের করার কথা বলছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উপর হামলা ঠেকাতে সব বাহিনীর মধ্যে সমঝোতা ও সমন্বয় দরকার মনে করেন বিশ্লেষকরা। গত নয় মাসে বড় বড় ৭টি জঙ্গী বিরোধী অভিযান হয়েছে, এতে নিহত হয়েছে ৩২ জন জঙ্গী।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে