মানবপাচার রোধে আইন প্রয়োগে কঠোর হওয়ার পাশাপাশি রিক্রুটিং লাইসেন্সের শ্রেণিবিন্যাস করে নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। দরকার হলে আইনের পরিবর্তন করে পাচারকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবিও উঠেছে। রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় মানবপাচার প্রতিরোধ ও নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে এসব পরামর্শ তুলে ধরা হয়।
বৈধভাবে জনশক্তি রপ্তানি সীমিত হওয়ায় অবৈধ পথে বিদেশ পাড়ি জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। আর এতেই প্রতারিত হয়ে সর্বস্ব হারাচ্ছেন অনেকেই। আবার পাচারকারীদের খপ্পড়ে পড়ে নিষ্ঠুর বাস্তবতার মুখোমুখিও হচ্ছেন কেউ কেউ। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বায়রা ও র্যাব। পাচারকারীদের কবল থেকে উদ্ধার পাওয়া কয়েকজন তুলে ধরেন তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবপাচার প্রতিরোধ ও প্রতারণার ফাঁদ থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষায় সচেতন হওয়ার তাগিদ দেন। মানবপাচার রোধে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার পাশাপাশি কঠোর শাস্তির বিধান করার পরামর্শ দেন র্যাব মহাপরিচালক। এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী। পাচারকারীদের কবল থেকে উদ্ধার পাওয়া বেশ কয়েকজনকে অর্থ সহায়তা দেয় বায়রা।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























