বন্যার পানিতে যখন দেশের বেশকয়েকটি জেলার মানুষ যখন হাবুডুবু খাচ্ছেন তখন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নে ভুল্লী নদীর বাঁধের পানিতে প্রতিদিন নানান বয়সের অসংখ্য ছেলে-মেয়ে ঝাঁপাঝাপি আর সাঁতার কেটে আনন্দ-বিনোদন উপভোগ করছে। বছরের অন্যান্য সময় ঠাকুরগাঁওয়ের এই ভুল্লী নদীতে হাটু পানি এবং কোথাও শুকনো অবস্থায় থাকলেও বর্ষার সময় পানিতে এপার ওপার টইটম্বুর হয়ে যায়।

বর্ষা মওসুমে এ বাঁধে পানি ধরে রাখা হয়। পরে খড়া মওসুমে সে পানি আশপাশের কৃষকেরা তাদের ফসলী জমিতে ব্যবহার করেন। এছাড়া জেলেরা এ বাঁধে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এ বাঁধটিতে ১০টি জল কপাট রয়েছে। জলধারা প্রবাহের জন্য বাঁধটিতে কয়েকটি ধাপ/স্তর রয়েছে। এসব স্তর বেয়ে জলধারা প্রবাহের সময় চারিদিকে যে শব্দ সঞ্চার হয় তা অনেকটা সমুদ্রের গর্জনের মতই। আর পানির সে গর্জন মানুষের মন কেড়ে নেয়। ফলে এই বাঁধে বর্ষার এসময় এলেই বেড়ে যায় দর্শনার্থীদের ভিড়। অনেকে পরিবারসহ ঘুড়তে এসে নদীর বাঁেধর পানির ধারায় হাবুডুবু খেয়ে আনন্দে মেতে উঠছেন তারা।

জেলায় বিনোদনের উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু না থাকার কারণে ভুল্লী নদীর এ বাঁধ এলাকাটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন বাঁধে আগত বিনোদন প্রেমিরা। তারা এ বাঁধটির নাম দিয়েছেন ‘মিনি কক্সবাজার। ১৯৯৬ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকার আবাদী জমিতে সেচ প্রদানের লক্ষ্যে এ নদীতে বাঁধ নির্মাণ করে। এ ব্যাপারে সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বাঁধ এলাকাটিকে বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ইতিমধ্যে সোলার লাইট স্থাপন, সড়ক সংস্কারসহ কিছু কাজ শুরু হয়েছে। খুব শিগ্রই প্রয়োজনীয় কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে