রাজধানীর ফরাশগঞ্জ-শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে একটি লঞ্চ ডুবে গেছে। জানা গেছে, ময়ুর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় মর্নিং বার্ড নামের লঞ্চটি ডুবে যায়। আজ সোমবার সকাল ১০টা দিকে মর্নিং বার্ড নামের নৌযানটি প্রায় ১০০ যাত্রী নিয়ে বুড়িগঙ্গায় মাঝ নদীতে ডুবে যায়। নিখোঁজ হওয়াদের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, কোস্টগার্ড, নৌ ও সেনাবাহিনী। দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩৬টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় এই লঞ্চটি ডুবে যায়। এ সময় বেশ কয়েকজন যাত্রী সাঁতার কেটে তীরে উঠে আসলেও নিখোঁজের সংখ্যা নিতান্তই কম নয়।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানান, মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড নামের একটি ছোট লঞ্চ ঢাকায় আসছিল। শ্যামবাজার এলাকায় চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ লঞ্চের সঙ্গে এর সংঘর্ষ হয়। এ সময় মনিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।
কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার হায়াৎ ইবনে সিদ্দিক বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে, ২৩ জন পুরুষ, ৫ নারী ও দুটি শিশু রয়েছে। এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।’ এখনও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
উদ্ধার কাজে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ আভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ’র (বিআইডব্লিউটিএ) উদ্ধারকারী জাহাজ এসে পৌঁছেছে বলে জানা যায়। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ১০০ জন যাত্রী ছিলেন ঐ লঞ্চে। এর মধ্যে নিখোঁজ হয়ে যান প্রায় ৭০ জন।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























