আজ জাতীয় পাট দিবস। পাটের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে পাট পণ্যের বহুমুখীকরণ চায় সরকার। তবে আধুনিক কারখানা স্থাপনে স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের অভাবকে বাধা বলছেন উদ্যোক্তারা। আগামী দুই বছরে সরকারি পাটকলগুলোকে আধুনিক করে পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা বিজেএমসির।
এক সময় দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যই ছিলো পাট। মোট রপ্তানির আশি ভাগই আসতো এ খাত থেকে। তবে গেল চার দশকে প্রধান এই রপ্তানি পণ্য হারিয়েছে ঐতিহ্য। মোট রপ্তানির দুই ভাগে নেমে এসেছে আয়। মধ্যপ্রাচ্যের মিশর, সিরিয়া ও ইরাকে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পাটের বড় বাজার হারিয়েছে বাংলাদেশ। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পাটপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার না বাড়ায়ও কমেছে রপ্তানি।
তবে বাংলাদেশ থেকে কাঁচা পাট আমদানি করে তা দিয়ে বৈচিত্র্যময় পণ্য তৈরি করে বিশ্ববাজারের অনেকটাই নিজেদের দখলে নিয়েছে চীন ও ভারত।
উদ্যোক্তারা বলছেন, ষাটের দশকে চালু হওয়া পাটকলগুলোতে একই ধরনের পণ্য তৈরি হওয়ায় তা বিশ্বচাহিদা মেটাতে পারছে না। বেসরকারি খাতে আধুনিক কারখানা স্থাপনেও ব্যয় অনেক বেশি। সরকারের সবুজ অর্থায়নেরও সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।
বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন বলছে, ষাটের দশকে চালু হওয়া পাটকলগুলোর আধুনিকায়ন পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে চীনের সাথে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

এদিকে ১৭টি পণ্যে বাধ্যতামুলক পাটের মোড়ক ব্যবহারের সরকারি সিদ্ধান্তের ফলে বাড়ছে অভ্যন্তরীণ চাহিদা। এতে সোনালি আঁশের হারানো গৌরব ফিরে পাবার বিষয়ে তৈরি হচ্ছে আশাবাদ।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























