রোলবল বিশ্বকাপের সফল আয়োজনের পর এখনই পরবর্তী বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। সে লক্ষ্যে শিগগিরই চালু করা হবে ক্লাব পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। একথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। তবে শুধু পরিকল্পনাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে এসবের দ্রুতই বাস্তবায়ন দাবি করেছেন খেলোয়াড় ও কোচ।

রোলবল বিশ্বকাপে নিজেদের উন্নতির গ্রাফটা ক্রমশই বাড়ছে বাংলাদেশের। ২০১৩ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত ২য় আসরে দ্বাদশ এবং ভারতের পুনেতে অনুষ্ঠিত ৩য় আসরে ৭ম হওয়ার পর সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে ৪র্থ হয়ে, ইতোমধ্যে নিজেদের সামর্থ্যের কথা জানান দিয়েছেন আরাফাত-দিপ্রো’রা। এখন শুধু প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলন আর সঠিক পরিকল্পনা। আগামী ২০১৯ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে রোলবল বিশ্বকাপের পঞ্চম আসর। সে লক্ষ্যে এখনই প্রস্তুতি শুরু করতে চায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। এমনটাই জানিয়েছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। সে সঙ্গে তৃণমূল থেকে নতুন নতুন খেলোয়াড় উঠিয়ে আনতে নেয়া হচ্ছে নানান পরিকল্পনা।
এবারের আসরে স্বাগতিক দলকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে প্রতিপক্ষ দলের উচ্চতা আর শারীরিক দক্ষতা। তাইতো, এবার বিষয়টি মাথায় রেখেই নির্বাচন করা হবে দল।তবে ব্যতিক্রম ও রয়েছে। ৩৮ দেশের ৬২৫ প্রতিযোগিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩১ গোল করে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ৫ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার, বাংলাদেশের বিস্ময় দ্বীন হাসান হৃদয়। দাবি জানালেন সারা বছর মাঠে খেলা রাখার।

আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি আরো বেশি এগিয়ে আসে, তবে ভবিষ্যতে এ খেলার প্রতি আরো আগ্রহী হয়ে নতুন নতুন খেলোয়াড় তৈরি বলেও, জানান খেলোয়াড়রা।

স্পোর্টস ডেস্ক, বিডি টাইমস নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে